Complete AdSense Payment Profile Green Tick
Instant Download
100% Original
After Sale Support
Update File
এডসেন্সের প্রোফাইল কমপ্লিট না হলে ডুবলিকেট একাউন্টের আসলে অথবা প্রোগ্রাম পলিসি আসলে আমাদের থেকে অল্প টাকায় গ্রিন টিক প্রোফাইল নিতে পারেন ।
600.00৳ Original price was: 600.00৳ .500.00৳ Current price is: 500.00৳ .
Description
আপনি কি নিজের শখের ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য গুগল এডসেন্সে অ্যাপ্লাই করেছেন, কিন্তু বারবার রিজেক্ট হয়ে যাচ্ছে? অনেক সময় ওয়েবসাইটের কনটেন্ট একদম ঠিক থাকার পরও শুধু এডসেন্স একাউন্টের সমস্যার কারণে অ্যাপ্রুভাল পাওয়া যায় না। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যার নাম হলো Payment Profile Incomplete বা Duplicate Account এরর।
এই সমস্যাগুলোর একটাই সমাধান, আর তা হলো একটি ফ্রেশ গ্রীন টিক প্রোফাইল তৈরি করা।
আজকাল অনেকেই এই সমস্যা ফেস করছেন। ফেসবুকে বা বিভিন্ন গ্রুপে হয়তো দেখেছেন অনেকেই টাকার বিনিময়ে এই প্রোফাইল বিক্রি করছে। কিন্তু আপনি চাইলে খুব সহজেই, ঘরে বসে নিজের জন্য একটি কমপ্লিট এডসেন্স পেমেন্ট প্রোফাইল তৈরি করে নিতে পারেন।
আজকের এই পোস্টে আমি আপনাদের একদম সহজ ভাষায় জানাবো, এই প্রোফাইল আসলে কী, কেন এটি এত দরকারি এবং কীভাবে আপনি নিজে নিজেই কোনো ঝামেলা ছাড়া এটি তৈরি করতে পারবেন। চলুন শুরু করা যাক!
এডসেন্স গ্রীন টিক প্রোফাইল বলতে কী বোঝায়?
একদম সহজ কথায় বলতে গেলে, গ্রীন টিক প্রোফাইল হলো এমন একটি গুগল এডসেন্স একাউন্ট, যার পেমেন্ট প্রোফাইল ১০০% সম্পূর্ণ এবং ভেরিফাইড।
যখন আপনি নতুন একটি এডসেন্স একাউন্ট খোলেন, তখন গুগল আপনার কাছে কিছু বেসিক তথ্য চায়। যেমন- আপনার আসল নাম, আপনি কোথায় থাকেন সেই ঠিকানা, আপনার পোস্টাল কোড এবং একটি সচল মোবাইল নাম্বার। এই তথ্যগুলো দিয়ে যখন আপনি প্রোফাইলটি সাবমিট করেন, তখন গুগল সেটা চেক করে দেখে।
যদি আপনার দেওয়া নামের সাথে বা ঠিকানার সাথে গুগলের কাছে থাকা অন্য কোনো পুরনো এডসেন্স একাউন্টের মিল না পাওয়া যায়, তবে গুগল আপনার পেমেন্ট প্রোফাইলটি অ্যাপ্রুভ করে দেয়। তখন আপনার এডসেন্স ড্যাশবোর্ডে পেমেন্ট ইনফরমেশনের পাশে একটি সবুজ রঙের টিক চিহ্ন (Green Tick) চলে আসে।
এই সবুজ টিক চিহ্নটি প্রমাণ করে যে, আপনার এডসেন্স একাউন্টটি এখন পুরোপুরি রেডি। এখন আপনি নিশ্চিন্তে আপনার ওয়েবসাইটটি রিভিউয়ের জন্য গুগলের কাছে পাঠাতে পারেন। একটি কমপ্লিট এডসেন্স পেমেন্ট প্রোফাইল থাকলে ওয়েবসাইটের অ্যাপ্রুভাল প্রসেস অনেক দ্রুত হয়।
কেন ওয়েবসাইটের জন্য গ্রীন টিক প্রোফাইল এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
অনেকেই মনে করেন, ওয়েবসাইটে ভালো আর্টিকেল থাকলেই বুঝি এডসেন্স পাওয়া যায়। কথাটি সত্যি, কিন্তু আপনার এডসেন্স একাউন্টের ভেতরটা যদি ঠিক না থাকে, তবে গুগল কখনোই আপনার সাইটে এড দেখাবে না। একটি গ্রীন টিক প্রোফাইল থাকা কেন জরুরি, তার কিছু মূল কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. দ্রুত ওয়েবসাইট অ্যাপ্রুভাল পাওয়া:
আপনার পেমেন্ট প্রোফাইল যদি আগে থেকেই ভেরিফাইড থাকে, তবে গুগল বুঝতে পারে আপনি একজন আসল মানুষ। এতে করে তারা আপনার ওয়েবসাইটটি খুব দ্রুত রিভিউ করে এবং অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার চান্স অনেক বেড়ে যায়।
২. ডুপ্লিকেট এরর থেকে মুক্তি:
এডসেন্সের সবচেয়ে বিরক্তিকর এরর হলো You already have an AdSense account। আপনার যদি একটি গ্রীন টিক প্রোফাইল থাকে, তার মানে হলো আপনি সফলভাবে এই ডুপ্লিকেট এরর পার করে এসেছেন।
৩. পেমেন্ট হোল্ড হওয়ার ভয় থাকে না:
যাদের পেমেন্ট প্রোফাইল অসম্পূর্ণ থাকে, তাদের একাউন্টে ডলার জমা হলেও গুগল পেমেন্ট হোল্ড করে দেয়। প্রোফাইল কমপ্লিট থাকলে এই ধরনের কোনো ঝামেলায় পড়তে হয় না।
৪. একাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার ঝুঁকি কমে:
অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য দিয়ে রাখা একাউন্টগুলো গুগল যেকোনো সময় বাতিল করে দিতে পারে। সঠিক তথ্য দিয়ে ভেরিফাই করা গ্রীন টিক প্রোফাইল অনেক বেশি নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।
ডুপ্লিকেট একাউন্ট এরর কেন আসে?
গ্রীন টিক প্রোফাইল তৈরি করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা হয়, সেটা হলো ডুপ্লিকেট একাউন্ট এরর। গুগল এডসেন্সের নিয়ম হলো একজন মানুষের জীবনে একটাই এডসেন্স একাউন্ট থাকতে পারবে।
এখন ধরুন, আপনি দুই বছর আগে শখের বশে আপনার নিজের নাম এবং ঠিকানা দিয়ে একটি এডসেন্স একাউন্ট খুলেছিলেন। হয়তো সেটা আর ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু এখন যখন আপনি নতুন করে আবার নিজের নাম ও ঠিকানা দিয়ে একাউন্ট খুলতে যাবেন, গুগল তাদের ডাটাবেজ চেক করে দেখবে যে এই ঠিকানায় তো আগে থেকেই একটা একাউন্ট আছে!
সাথে সাথেই গুগল আপনার নতুন একাউন্টটি আটকে দেবে এবং বলবে আপনার অলরেডি একটি একাউন্ট আছে।
মূলত তিনটি কারণে এই এরর আসে:
- একই নাম এবং ঠিকানা বারবার ব্যবহার করলে।
- একই মোবাইল নাম্বার দিয়ে একাধিক এডসেন্স ভেরিফাই করার চেষ্টা করলে।
- একই ইন্টারনেট কানেকশন (ওয়াইফাই) বা একই কম্পিউটার/মোবাইল থেকে বারবার একাউন্ট খোলার চেষ্টা করলে।
এই সমস্যাগুলো এড়িয়ে কীভাবে একটি ফ্রেশ একাউন্ট খুলবেন, সেটাই আমরা পরের ধাপে জানবো।
কিভাবে একটি ফ্রেশ এডসেন্স গ্রীন টিক প্রোফাইল তৈরি করবেন?
নিজে নিজে একটি কমপ্লিট এডসেন্স পেমেন্ট প্রোফাইল তৈরি করা রকেট সায়েন্স কিছু নয়। শুধু আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। নিচে আমি একদম ভেঙে ভেঙে ধাপগুলো বুঝিয়ে দিচ্ছি।
ধাপ ১: একদম নতুন একটি জিমেইল তৈরি করা
পুরনো কোনো জিমেইল দিয়ে এডসেন্স খোলার চেষ্টা করবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি একদম নতুন একটি জিমেইল একাউন্ট খুলে নেন। জিমেইল খোলার সময় এমন একটি মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করবেন, যা দিয়ে আগে কখনো জিমেইল বা এডসেন্স খোলা হয়নি।
ধাপ ২: সঠিক ডিভাইস এবং ইন্টারনেট কানেকশন বেছে নেওয়া
আপনি যদি আগে আপনার ল্যাপটপ বা মোবাইলে এডসেন্স খুলে ডুপ্লিকেট এরর খেয়ে থাকেন, তবে সেই ডিভাইস ব্যবহার না করাই ভালো। সম্ভব হলে বাসার অন্য কারো মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করুন। আর ওয়াইফাই এর বদলে মোবাইলের ডাটা (এমবি) কিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। এতে আপনার আইপি এড্রেস একদম ফ্রেশ থাকবে।
ধাপ ৩: এডসেন্স ওয়েবসাইটে গিয়ে সাইন আপ করা
আপনার ব্রাউজার থেকে সরাসরি adsense.google.com লিখে সার্চ করুন। ওয়েবসাইটের উপরে ‘Get Started’ বা ‘Sign Up’ বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আপনার নতুন জিমেইলটি সিলেক্ট করুন।
এখানে আপনার কাছে ওয়েবসাইটের লিংক চাইবে। আপনার যদি ওয়েবসাইট থাকে, তবে লিংকটি দিন। আর যদি ওয়েবসাইট রেডি না থাকে, তবে I don’t have a site yet বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। এরপর আপনার দেশ (বাংলাদেশ) সিলেক্ট করে টার্মস এন্ড কন্ডিশন বক্সে টিক দিয়ে একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন।
ধাপ ৪: পেমেন্ট প্রোফাইল বা কাস্টমার ইনফরমেশন সেটআপ
একাউন্টে ঢোকার পর আপনার সামনে “Enter Information” নামের একটি অপশন আসবে। এটাই হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। এখানে আপনাকে নিচের তথ্যগুলো দিতে হবে:
Account Type: সব সময় Individual সিলেক্ট করবেন। ভুলেও Business দিবেন না, কারণ বিজনেস একাউন্ট ভেরিফাই করতে কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্স লাগে।
Name: আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড (NID) বা পাসপোর্টে ঠিক যেভাবে নাম লেখা আছে, একদম সেভাবেই এখানে লিখবেন। কোনো ডাকনাম বা ছদ্মনাম ব্যবহার করবেন না।
Address Line 1 & 2:এখানে আপনার বর্তমান ঠিকানা দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, এই ঠিকানা যেন আপনার আগের কোনো এডসেন্স একাউন্টের ঠিকানার সাথে হুবহু মিলে না যায়। (কীভাবে ইউনিক ঠিকানা দিবেন, সেটা প্রো টিপস অংশে বলছি)।
City & Postal Code: আপনার শহরের নাম এবং সঠিক পোস্টাল কোড (জিপ কোড) দিন। পোস্টাল কোড ভুল হলে পরে চিঠি বা পিন কোড আসতে সমস্যা হবে।
সব তথ্য ঠিকঠাক পূরণ করে Submit বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৫: মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন
সাবমিট করার পর গুগল আপনার কাছে একটি মোবাইল নাম্বার চাইবে। এখানে এমন একটি নাম্বার দিন, যেটা আগে কখনো এডসেন্সে ব্যবহার করা হয়নি। নাম্বারটি দেওয়ার পর “Get OTP” বা “Text Message” সিলেক্ট করুন।
আপনার মোবাইলে ৬ ডিজিটের একটি কোড আসবে। সেই কোডটি বসিয়ে সাবমিট করে দিন।
ধাপ ৬: রিভিউয়ের জন্য অপেক্ষা করা
সব কাজ শেষ! এখন আপনার কাজ হলো শুধু অপেক্ষা করা। গুগল আপনার দেওয়া তথ্যগুলো রিভিউ করে দেখবে। যদি আপনার দেওয়া নাম, ঠিকানা এবং নাম্বারের সাথে অন্য কোনো একাউন্টের মিল না থাকে, তবে সাধারণত ২ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আপনার প্রোফাইলে গ্রীন টিক চলে আসবে।
এর মানে হলো আপনার একটি কমপ্লিট এডসেন্স পেমেন্ট প্রোফাইল সফলভাবে তৈরি হয়ে গেছে!
বাজার থেকে রেডিমেড প্রোফাইল কেনা কি ঠিক হবে?
ফেসবুক খুললেই দেখা যায় অনেকেই ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে “Adsense Green Tick Profile” বিক্রি করছে। এখন প্রশ্ন হলো, এগুলো কেনা কি ঠিক?
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলবো, বাজার থেকে সস্তায় কেনা প্রোফাইলগুলো বেশিরভাগ সময়ই নিরাপদ হয় না। যারা এগুলো বিক্রি করে, তারা অনেক সময় শর্টকাট উপায় বা বট ব্যবহার করে একদিনে অনেকগুলো একাউন্ট তৈরি করে।
প্রথমদিকে হয়তো একাউন্টটি ঠিকঠাক কাজ করবে, আপনি ওয়েবসাইটের অ্যাপ্রুভালও পেয়ে যাবেন। কিন্তু যখন আপনার একাউন্টে ডলার জমতে শুরু করবে, তখন গুগল যেকোনো সময় ফেক একাউন্ট হিসেবে সেটি সাসপেন্ড করে দিতে পারে। তখন আপনার পুরো পরিশ্রমটাই বৃথা যাবে।
তাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হলো, নিজের আসল তথ্য দিয়ে, একটু সময় নিয়ে হলেও নিজের গ্রীন টিক প্রোফাইল নিজে তৈরি করা। এতে ভবিষ্যতে আপনার একাউন্ট ১০০% নিরাপদ থাকবে।
সফলভাবে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য চেকলিস্ট
আপনার এডসেন্স পেমেন্ট প্রোফাইল তো রেডি হয়ে গেলো। এবার ওয়েবসাইট অ্যাপ্রুভালের জন্য পাঠানোর আগে নিচের চেকলিস্টটি একবার মিলিয়ে নিন:
ইউনিক কনটেন্ট: আপনার ওয়েবসাইটে অন্তত ২০-২৫ টি একদম নিজের লেখা ইউনিক আর্টিকেল আছে তো? কপি করা কনটেন্ট থাকলে কিন্তু এডসেন্স পাবেন না।
জরুরি পেজ: ওয়েবসাইটে About Us, Contact Us, Privacy Policy এবং Disclaimer পেজগুলো থাকা বাধ্যতামূলক।
ক্লিন ডিজাইন: ওয়েবসাইটের থিম বা ডিজাইন যেন একদম ছিমছাম এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি হয়। খুব বেশি হিজিবিজি ডিজাইন গুগল পছন্দ করে না।
নেভিগেশন: মেনুবার ঠিকমতো কাজ করছে কি না এবং ক্যাটাগরিগুলো সুন্দরভাবে সাজানো আছে কি না, তা চেক করে নিন।
বয়স: ওয়েবসাইটের বয়স অন্তত ১ মাস হওয়া ভালো। তবে ভালো কনটেন্ট থাকলে নতুন সাইটেও অ্যাপ্রুভাল পাওয়া যায়।
যে মারাত্মক ভুলগুলোর কারণে এডসেন্স রিজেক্ট হতে পারে (সতর্কতা)
নতুনরা এডসেন্স নিয়ে কাজ করার সময় না বুঝে কিছু ভুল করে ফেলেন। এই ভুলগুলো কখনোই করা যাবে না:
ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করা: এডসেন্স একাউন্টে লগিন করার সময় কখনোই ভিপিএন বা প্রক্সি ব্যবহার করবেন না। গুগল এটা সাথে সাথে ধরে ফেলে এবং একাউন্ট ব্যান করে দেয়।
ভুল তথ্য দেওয়া: নিজের বয়স ১৮ বছরের কম হলে নিজের নামে এডসেন্স খুলবেন না। সেক্ষেত্রে বাবা, মা বা বড় ভাই-বোনের নামে একাউন্ট খুলুন। ভুয়া জন্মতারিখ বা ভুয়া আইডি কার্ডের তথ্য দিলে পেমেন্ট তোলার সময় আটকে যাবেন।
নিজের এড নিজে ক্লিক করা:ওয়েবসাইটের অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার পর ভুলেও নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে নিজের ওয়েবসাইটের এডে ক্লিক করবেন না। এটাকে “Invalid Click” বলা হয় এবং এর কারণে একাউন্ট চিরতরে ডিজেবল হয়ে যায়।
একই ডিভাইসে একাধিক একাউন্ট চালানো: একটি ল্যাপটপ বা পিসিতে একটাই এডসেন্স একাউন্ট লগিন করে রাখবেন। একাধিক একাউন্ট চালালে ডুপ্লিকেট ইস্যু চলে আসবে।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)
১. গ্রীন টিক প্রোফাইল তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে?
সব তথ্য সঠিকভাবে সাবমিট করার পর সাধারণত ২ থেকে ৭ দিনের মধ্যে প্রোফাইলে গ্রীন টিক চলে আসে। তবে মাঝে মাঝে গুগলের আপডেটের কারণে একটু বেশি সময়ও লাগতে পারে।
২. আমি কি আমার আগের এডসেন্স একাউন্টের ব্যাংক ডিটেইলস নতুন একাউন্টে ব্যবহার করতে পারবো?
না, এটা করা একদমই উচিত হবে না। আগের একাউন্টের ব্যাংক ডিটেইলস নতুন একাউন্টে দিলে ডুপ্লিকেট একাউন্ট এরর আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি। সব সময় নতুন ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করার চেষ্টা করবেন।
৩. এডসেন্সে কি বাংলা নাম দেওয়া যাবে?
নামের ক্ষেত্রে সবসময় ইংরেজি ব্যবহার করা ভালো। আপনার আইডি কার্ডে যেভাবে ইংরেজিতে নাম লেখা আছে, ঠিক সেভাবেই দিবেন। এতে আইডেন্টিটি ভেরিফিকেশনের সময় কোনো ঝামেলা হয় না।
৪. আমার তো আইডি কার্ড নেই, আমি কীভাবে এডসেন্স খুলবো?
আপনার যদি স্মার্ট আইডি কার্ড, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে, তবে আপনার পরিবারের এমন কারো নামে এডসেন্স একাউন্ট খুলুন যার এই ডকুমেন্টসগুলো আছে। কারণ পরবর্তীতে আইডেন্টিটি ভেরিফিকেশনের সময় এই ডকুমেন্টসগুলোর ছবি সাবমিট করতে হবে।
৫. গ্রীন টিক প্রোফাইল থাকলে কি ১০০% ওয়েবসাইট অ্যাপ্রুভাল পাওয়া যায়?
গ্রীন টিক প্রোফাইল থাকা মানে আপনার এডসেন্স একাউন্টটি রেডি। কিন্তু ওয়েবসাইট অ্যাপ্রুভাল পাওয়া নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কোয়ালিটি এবং ডিজাইনের ওপর। ওয়েবসাইট গুগলের পলিসি মেনে তৈরি হলে অ্যাপ্রুভাল পেতে সুবিধা হয়।
শেষ কথা
গুগল এডসেন্স থেকে আয় করাটা অনেক ব্লগারেরই একটা স্বপ্ন। কিন্তু শুরুতেই যদি এডসেন্স একাউন্ট নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়, তবে কাজের আগ্রহটাই নষ্ট হয়ে যায়।
আশা করি আজকের এই পোস্টটি পড়ার পর **এডসেন্স গ্রীন টিক প্রোফাইল** নিয়ে আপনার আর কোনো কনফিউশন নেই। আমি ধাপে ধাপে যেভাবে দেখিয়েছি, সেভাবে কাজ করলে আপনি খুব সহজেই একটি কমপ্লিট এডসেন্স পেমেন্ট প্রোফাইল তৈরি করে ফেলতে পারবেন।
সব সময় মনে রাখবেন, শর্টকাট বা দুই নাম্বারি করে হয়তো সাময়িক সফলতা পাওয়া যায়, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ক্যারিয়ার গড়তে হলে সঠিক নিয়ম মেনে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। তাই বাজার থেকে ফেক প্রোফাইল না কিনে নিজের আসল তথ্য দিয়ে নিজেই একাউন্ট তৈরি করুন।
আপনার কি এডসেন্স একাউন্ট খুলতে গিয়ে ডুপ্লিকেট এরর এসেছে? তাহলে আমাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে খুব সহজেই গুগল এডসেন্স অ্যাপ করে নিন।
Related Products
2,000.00৳ Original price was: 2,000.00৳ .1,500.00৳ Current price is: 1,500.00৳ .
500.00৳ Original price was: 500.00৳ .400.00৳ Current price is: 400.00৳ .
300.00৳ Original price was: 300.00৳ .200.00৳ Current price is: 200.00৳ .
Reviews
There are no reviews yet.