গেমিং জগতে এন্ট্রি-লেভেল গ্রাফিক্স কার্ডের বাজারে নতুন মুখ এসেছে। এএমডি চুপচাপ তাদের সর্বশেষ আরডিএনএ ৪ ভিত্তিক জিপিইউ, রেডিয়ন আরএক্স ৯০৫০ বাজারে ছেড়েছে। তবে এই কার্ডটি নিয়ে এসেছে কিছু আশ্চর্য করার মতো সিদ্ধান্ত।
দুটি সংস্করণ, দুটি ভিন্ন ভাগ্য
এই কার্ড দুটি মেমরি সংস্করণে পাওয়া যাবে—৪ জিবি এবং ৮ জিবি। কিন্তু এখানেই পার্থক্য শুরু। ৮ জিবি সংস্করণটি আপনি আলাদা করে কিনতে পারবেন, এটি একটি স্বতন্ত্র ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড হিসেবে বিক্রি হবে। কিন্তু ৪ জিবি সংস্করণটি কেবল ওইএম প্রস্তুতকারক এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রেটরদের জন্য সংরক্ষিত। অর্থাৎ, আপনি যদি নিজে কার্ডটি কিনে পিসিতে লাগাতে চান, তবে ৪ জিবি মডেলটি আপনার জন্য নয়। এটি শুধু প্রি-বিল্ট লো-এন্ড কম্পিউটারের ভেতরেই থাকবে।
দাম কত?
৮ জিবি সংস্করণের দাম হতে পারে আনুমানিক ২৭৯ ডলার। এটি এএমডির বর্তমানে বাজারে থাকা সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের কার্ড। তবে এখানে আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো এএমডি এবার কোনো ‘মেড বাই এএমডি’ (MBA) ডিজাইন আনেনি। অর্থাৎ, কার্ডটি তৈরি ও বাজারজাত করছে এএমডির অ্যাড-ইন বোর্ড পার্টনাররা। ইতোমধ্যে পাওয়ারকালার, স্যাপফায়ার এবং অ্যাসরকের মতো ব্র্যান্ডগুলো তাদের নিজস্ব ডিজাইনে আরএক্স ৯০৫০ ৮ জিবি কার্ড ঘোষণা করেছে। পাওয়ারকালারের ‘রিপার’, স্যাপফায়ারের ‘পালস’ এবং অ্যাসরকের ‘চ্যালেঞ্জার’ মডেলগুলো বাজারে দেখা যাচ্ছে।
পারফরম্যান্স কেমন?
দুটি সংস্করণেই রয়েছে ১৬টি কম্পিউট ইউনিট এবং ১,০২৪টি স্ট্রিমিং প্রসেসর। ক্লক স্পিড ২.৬ গিগাহার্টজ পর্যন্ত উঠতে পারে। কিন্তু মেমরি কনফিগারেশনে রয়েছে বড় ব্যবধান। ৮ জিবি সংস্করণে ১২৮-বিট বাসের সাথে ৮ জিবি জিডিডিআর৬ মেমরি রয়েছে, যা ২৮৮ জিবি/সেকেন্ড ব্যান্ডউইথ দেয়। অন্যদিকে ৪ জিবি সংস্করণে ৬৪-বিট বাসের সাথে মাত্র ৪ জিবি মেমরি, যার ব্যান্ডউইথ মাত্র ১৪৪ জিবি/সেকেন্ড অর্থাৎ অর্ধেক।
অ্যাসরকের ওয়েবসাইটে কী হয়েছিল?
একটি মজার ঘটনা হলো, অ্যাসরক প্রথমে তাদের ওয়েবসাইটে ৪ জিবি সংস্করণটিও তালিকাভুক্ত করেছিল। কিন্তু পরে সেই তালিকা সরিয়ে ফেলা হয়। এখন শুধু ৮ জিবি চ্যালেঞ্জার সংস্করণটিই দেখা যাচ্ছে। এটি আরও একবার প্রমাণ করে যে ৪ জিবি মডেলটি সাধারণ বিক্রয়ের জন্য নয়।
তথ্যসূত্র: Hassan Mujtaba








